Posts

Showing posts from May, 2021

নির্দেশনা

 নির্দেশনা বিজ্ঞান সম্পর্কে জানতে হলে বিজ্ঞান শিক্ষা লেখা মেনুতে টাচ বা ক্লিক করুন। এর পর বিষয়গুলোতে গিয়ে পড়ুন। আর আপনার মতামত ও প্রশ্ন কমেন্ট করে জানান। বিস্তারিত..  

অধ্যায় ৪ : বিদ্যুৎ

  অধ্যায় ৪ : বিদ্যুৎ (Electricity) স্বাভাবিক অবস্থায় পরমাণুতে যত সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে ঠিক তত সংখ্যক প্রোটন থাকে। বল প্রয়োগ করে পরমাণু থেকে ইলেকট্রন অপসারণ করা যায়। যখন কোন পরমাণু ইলেকট্রন ত্যাগ করে সেই পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যা বেড়ে যায়, তখন পরমাণুটি ধনাত্মক চার্জে চার্জিত হয়। আবার যখন কোন পরমাণু সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে তখন পরমাণুটি ঋণাত্মক চার্জে চার্জিত হয়।পরমাণুর এই অতিরিক্ত ইলেকট্রন শক্তির সাহায্যে প্রবাহিত করা যায়। পদার্থের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন এর প্রবাহকে বিদ্যুৎ বলে। গ্রীক শব্দ Elektron হতে বিদ্যুৎ বা ইলেক্ট্রিসিটি শব্দের উৎপত্তি। ইলেকট্রন শব্দের অর্থ সোলেমানী পাথর বা অ্যাম্বার। ৬০০ সালে মি. থেলস লক্ষ্য করেন যে, অ্যাম্বারকে রেশমী কাপড় দিয়ে ঘষলে এর ভিতরে এক অদ্ভুত ধরনের শক্তির উদ্ভব হয়। তখন এই অ্যাম্বার ছোট ছোট কাগজের টুকরোকে আকর্ষণ করে। আসলে এই অদৃশ্য শক্তিই বিদ্যুৎ বা ইলেক্ট্রিসিটি।  ইলেক্ট্রিক কারেন্ট ( বৈদ্যুতিক কারেন্ট) কোন বৈদ্যুতিক বর্তনীতে পরিবাহীর মধ্যদিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণে ইলেকট্রন প্রবাহকে বৈদ্যুতিক কারেন্ট বলে। অন্যভাবে বলা যায় কোন কোন পরিবাহীর ...

রসায়ন বিজ্ঞান শিক্ষা

  রসায়ন বিজ্ঞান শিক্ষা সূচিপত্র  অধ্যায়-১ : পদার্থ পরিচিতি  অধ্যায়-২ : মিশ্রণ  অধ্যায়-৩ : অম্ল, ক্ষারক, লবণ  অধ্যায়-৪ :  অধ্যায়-৫ :   অধ্যায়-৬ :  অধ্যায়-৭ :   অধ্যায়-৮ :

পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষা (Learning Physics)

 পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষা সূচিপত্র  অধ্যায়-১ :  পদার্থ  অধ্যায়-২ : তাপমাত্রা  অধ্যায়-৩ : শক্তি  অধ্যায়-৪ : বিদ্যুৎ  অধ্যায়-৫ : চাপ    অধ্যায়-৬ : আলোর ঘটনা  অধ্যায়-৭ : চুম্বক  অধ্যায়-৮ : সেল

অধ্যায়-২ : তাপমাত্রা

            চলো পদার্থ বিজ্ঞান শিখি -২               অধ্যায়-২ : তাপমাত্রা  আঠারো শতকের শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয়।পানিকে তাপ দিলে পানি বাষ্পে পরিণিত হয়। আর এই বাষ্পকে কাজে লাগিয়ে সে সময় বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করা হয়।এই বাষ্পিয় ইঞ্জিন থেকেই পরবর্তীতে ডিজেল ইঞ্জিন তৈরী করা হয়। যা পরিবহন ও কল-কারখানায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।    তাপ তাপ হচ্ছে একপ্রকার শক্তি । তাপ কোন বস্তু ঠান্ডা না গরম তার অনুভূতি জন্মায়। তাপমাত্রা  কোন দিন আমরা ঠান্ডা আবার কোন দিন আমরা গরম অনুভব করি। বাতাস কতটুকু গরম বা ঠান্ডা সেই অবস্থাই হচ্ছে তাপমাত্রা।   তাপশক্তির সঞ্চালন  শক্তি বিভিন্ন উপায়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়। তাপ সঞ্চালন উচ্চ তাপমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন তাপমাত্রার স্থানে তাপের প্রবাহ হলো তাপ সঞ্চালন। তাপ পরিবহন, পরিচলন, বিকিরণ এই তিন পদ্ধতিতে সঞ্চালিত হয়।   পরিবহন পদ্ধতি  একটি পাত্রে গরম পানি নিয়ে স্টিল বা অ্যালুমিনায়ামের চামচ দিয়ে নড়াচাড়া করলে চামটি গরম হয়ে য...

বিজ্ঞান শিক্ষা ( Learning Science)

চলো বিজ্ঞান শিখি    বিজ্ঞান শিক্ষা        সূচিপত্র ১. বিজ্ঞান সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা ২. বিজ্ঞানীদের কথা ৩. পদার্থ বিজ্ঞান শিক্ষা ৪. রসায়ন বিজ্ঞান শিক্ষা ৫.  প্রাণিবিদ্যা শিক্ষা

অধ্যায়-১ঃ পদার্থ পরিচিতি

চলো রসায়ন বিজ্ঞান শিখি  অধ্যায়-১ঃ পদার্থ পরিচিতি  পদার্থের প্রকারভেদ  পদার্থ দুই ধরনের।যথাঃ মৌলিক পদার্থ ও যৌগিক পদার্থ। মৌলিক পদার্থগুলো একটিমাত্র পদার্থ দিয়ে তৈরি।আর যৌগিক পদার্থ একাধিক পদার্থ দিয়ে তৈরী। মৌলিক পদার্থ  যে সকল পদার্থ ভাগ করলে শুধু ঐ পদার্থ‌ই পা‌ওয়া যায় তাকে মৌলিক পদার্থ বলে।যেমন সোনাকে ভাগ করলে শুধু সোনা পাওয়া যায়।লোহাকে ভাগ করলে শুধু লোহা পাওয়া যায়। সোনা,লোহা এগুলো মৌলিক পদার্থ।   যৌগিক পদার্থ  যেসব পদার্থ একাধিক মৌলিক পদার্থ নিয়ে গঠিত তারা যৌগিক পদার্থ। আবার কিছু পদার্থ মৌলিক পদার্থ মনে হলেও আসলে এরা যৌগিক পদার্থ। যেমন বাতাস একটি যৌগিক পদার্থ।কারণ বাতাসে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ,কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রভৃতি গ্যাস থাকে। পানি একটি যৌগিক পদার্থ। কারণ পানি হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাস দিয়ে তৈরি। লবণ সোডিয়াম ও ক্লোরিনের সমন্বয়ে গঠিত। চিনি কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন এর সমন্বয়ে গঠিত। মরিচা লোহাকে কিছুদিন রেখে দিলে বাতাসের জলীয়বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে ফেরিক অক্সাইড তৈরি করে।যা মরিচা নামে পরিচিত। উল্লেখ্য যে, লোহার ল্যাটিন নাম...

অধ্যায় -১ : পদার্থ

     চলো পদার্থ বিজ্ঞান শিখি            অধ্যায় -১ : পদার্থ   পদার্থ   আমাদের চারপাশে‌ নানা বস্তু রয়েছে। যেমন কাগজ,কাঠ,বায়ু,মাটি,চুন,লবন,পানি,পাথর,সোনা,রুপা,তামা,সিসা,লোহা ইত্যাদি। এ সব কিছুই পদার্থ। সকল বস্তুই পদার্থ দিয়ে তৈরি। আমরা যা কিছু দেখতে পাই তা দুই ধরনের। এগুলো হলো পদার্থ ও শক্তি।    পদার্থের গঠন   খালি চোখে দেখা যায় না এমন সুক্ষ্ম কণা দিয়ে পদার্থ গঠিত। পদার্থের এই সুক্ষ্ম কণাই হলো পরমাণ। দুই বা ততোধিক পরমাণু একত্রিত হয়ে পরমাণু গঠন করে। অনেক অণু নিয়ে এক একটি পদার্থ গঠিত। পদার্থ হলো অসংখ্য অণুর সমষ্টি।    পদার্থের অবস্থা   যে কোন পদার্থ তিন অবস্থা থাকতে পারে।তথা কঠিন, তরল, বায়বীয় অবস্থা। পদার্থে তাপ প্রয়োগ করলে এবং পদার্থ থেকে তাপ কমালে বস্তুর অবস্থার পরিবর্তন হয়।যেমন পানি বরফ,তরল,বাষ্প এই তিন অবস্থায় থাকে। বরফকে তাপ দিয়ে পানিতে রুপান্তরিত করা যায়। আবার পানিকে তাপ দিয়ে বাষ্পে পরিবর্তন করা যায়। পদার্থে তাপ প্রয়োগ করলে অণুগুলো একে অপর থেকে দূরে স...

চলো বিজ্ঞান শিখি পর্ব-৪

চলো বিজ্ঞান শিখি পর্ব- ৪  মৌলিক পদার্থ  পদার্থের প্রকারভেদ যে সকল পদার্থ ভাগ করলে শুধু ঐ পদার্থ‌ই পা‌ওয়া যায় তাকে মৌলিক পদার্থ বলে।যেমন সোনাকে ভাগ করলে শুধু সোনা পাওয়া যায়।লোহাকে ভাগ করলে শুধু লোহা পাওয়া যায়। সোনা,লোহা এগুলো মৌলিক পদার্থ।  যৌগিক পদার্থ  যেসব পদার্থ একাধিক মৌলিক পদার্থ নিয়ে গঠিত তারা যৌগিক পদার্থ। আবার কিছু পদার্থ মৌলিক পদার্থ মনে হলেও আসলে এরা যৌগিক পদার্থ।যেমন বাতাস একটি যৌগিক পদার্থ।কারণ বাতাসে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ,কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রভৃতি গ্যাস থাকে। পানি একটি যৌগিক পদার্থ। কারণ পানি হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাস দিয়ে তৈরি। লবণ সোডিয়াম ও ক্লোরিনের সমন্বয়ে গঠিত। চিনি কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন এর সমন্বয়ে গঠিত।   মরিচা  লোহাকে কিছুদিন রেখে দিলে বাতাসের জলীয়বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে ফেরিক অক্সাইড তৈরি করে।যা মরিচা নামে পরিচিত। লোহা মৌলিক পদার্থ হলেও মরিচা একটি যৌগিক পদার্থ। আসলে মৌলিক পদার্থগুলো সম্পর্কে জানতেন পারলে সহজেই যৌগিক পদার্থ চেনা যায়। মৌলিক পদার্থ ১১৮ টি। ১১৮ টি মৌলিক পদার্থের মধ্যে ৯৮ টি আমরা প্রকৃতি...