Posts

Showing posts from January, 2022

প্রাণিবিদ্যা বিষয়ক বিবিধ প্রশ্নোত্তর

 ১) ক্লিভেজ কাকে বলে?   উত্তর: যে পদ্ধতিতে যৌন জননকারী প্রাণীর এককোষী জাইগোট মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে বিভাজিত হয়ে অসংখ্য বহুকোষী ভ্রূণ সৃষ্টি করে তাকে ক্লিভেজ বলে। অন্যভাবে, জাইগোটের বিভাজনকে ক্লিভেজ বলে। ২) জার্মপ্লাজম মতবাদের প্রবক্তা কে? উত্তর: অগাস্ট ভাইজম্যান। ৩) অ্যালবুমিন কি? উত্তর: অ্যালবুমিন হলো রক্তে অবস্থিত এক বিশেষ ধরনের প্রোটিন। ৪) গ্লোবিউলিন কি? উত্তর: গ্লোবিউলিন হলো রক্তে অবস্থিত এক বিশেষ ধরনের গোলাকার প্রোটিন। ৫) বিলিভার্ডিন কি? উত্তর: একধরনের সবুজ রঞ্জক যা বিলিরুবিন থেকে উৎপন্ন হয়। ৬) লালারসে কি এনজাইম থাকে থাকে? উত্তর: মানুষের লালারসে ৩  প্রকারের এনজাইম থাকে।  ক) মিউসিন: যা খাদ্যবস্তুকে পিচ্ছিল করে গলাধঃকরণে সহায়তা করে। খ) টায়ালিন‌ ও মলটেজ : এ দুই উপাদান তথা এনজাইম শর্করা পরিপাকে অংশ নেয়। ৭) গ্যাস্ট্রিক রস কি ? এতে কি কি উপাদান থাকে? উত্তর: গ্যাস্ট্রিক রস এসিডিও তরল। এটি প্রোটিন জাতীয় পদার্থ পরিপাক করে। গ্যাস্ট্রিক রসে হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও পেপসিন থাকে। ৮) আন্ত্রিক রস কাকে বলে? এতে কি কি উপাদান থাকে? উত্তর: অন্ত্রের প্রাচীরের মিউকোসা স্তর কতগ...

জীববিজ্ঞান বিষয়ে MCQ ও ভাইবা প্রস্তুতি

 প্রথম অধ্যায়: জীবন পাঠ ১) এরিস্টটল কোন দেশের বিজ্ঞানী ছিলেন? উত্তর: গ্রীস। ২)জীববিজ্ঞানের জনক কে? উত্তর: এরিস্টটল। ৩) টমাস কেভলিয়ার স্মিথ প্রোটিস্টা রাজ্যকে কয় ভাগে ভাগ করেন? উত্তর:২ ভাগে। ৪) জীবজগতকে ফাইভ কিংডমে ভাগ করা যায় প্রস্তাব করেন কে? উত্তর:আর এইচ হুইটটেকার। ৫) নীলাভ সবুজ শৈবাল কোন রাজ্যের জীব? উত্তর: মনেরা। ৬) প্রোটিস্টা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত কোনটি? উত্তর: ডায়াটম। ৭) মাশরুমের কোষ প্রাচীর কি দিয়ে গঠিত? উত্তর: কাইটিন। ৮) কেভলিয়ার স্মিথ জীবজগৎকে মোট কয়টি রাজ্যে ভাগ করেছেন? উত্তর:৬ রাজ্যে। দ্বিতীয়  অধ্যায়: জীবকোষ ও টিস্যু ১) আদিকোষে পাওয়া যায় কোনটি? উত্তর: রাইবোজোম। ২) আদিকোষী জীবের উদাহরণ? উত্তর: ব্যাকটেরিয়া। ৩) জনন মাতৃকোষের বিভাজন হয় কোন পদ্ধতিতে ? উত্তর: মিয়োসিস পদ্ধতিতে। ৪) দেহকোষের ক্রোমেজোমের সংখ্যা জননকোষের কতগুন? উত্তর: দ্বিগুন। ৫) মাতৃ ও পিতৃ জননকোষ মিলিত হয়ে প্রথম যে কোষ গঠন করে তার নাম কি? উত্তর: জাইগোট। ৬) ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর কি দিয়ে গঠিত? উত্তর: লিপিড ও প্রোটিন। ৭) কোষের ভেতরের থকথকে, অর্থস্বচ্ছ জেলীর ন্যায় বস্তুর নাম কি? উত্তর: প্রোটোপ্লাজম। ৮) মাইটোকন্ড...

বিষয় ভিত্তিক গণিত প্রস্তুতি অধ্যায়: চৌবাচ্চা

চৌবাচ্চা বিষয় অঙ্ক করার আগে জানা দরকার চৌবাচ্চা কি ? চৌবাচ্চা বলতে আসলে কি বুঝানো হয়? চৌবাচ্চা হল পানির রাখার পাত্র বা টেংকি বা জলাধার ।  ১) একটি চৌবাচ্চায় তিনটি নল আছে। প্রথম ও দ্বিতীয় নল দ্বারা যথাক্রমে ৩০ মিনিট ও ২০ মিনিটে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হয়। তৃতীয় নল দ্বারা চৌবাচ্চাটি ৬০ মিনিটে খালি হয়। ক) তৃতীয় নলদ্বারা ১ মিনিটে চৌবাচ্চাটির  কত অংশ খালি হয়? খ) তিনটি নল একসঙ্গে খুলে দিলে চৌবাচ্চাটি কত মিনিটে পূর্ণ হবে ? গ) ১ম নল কখন বন্ধ করে দিলে ১ম ও ২য় নল দ্বারা চৌবাচ্চাটি ১৮ মিনিটে পূর্ণ হবে ?  সমাধান: ক) তৃতীয় নল দ্বারা ৬০ মিনিটে খালি হয় ১ অংশ সুতরাং ১ মিনিটে খালি হয় = ১/৬০ অংশ খ) প্রথম নল দ্বারা ৩০ মিনিটে পূর্ণ হয় ১ অংশ সুতরাং ১ মিনিটে পূর্ণ হয় = ১/৩০ অংশ একইভাবে, ২য় নল দ্বারা ১ মিনিটে পূর্ণ হয় = ১/২০ অংশ সুতরাং তিনটি নল এক সঙ্গে খুলে দিলে ১ম ও ২য় নল পানি পূর্ণ করবে কিন্তু ৩য় নল পানি খালি করবে। অতএব তিনটি নল একসঙ্গে খুলে দিলে চৌবাচ্চাটি  পূর্ণ হবে = ১/৩০+১/২০-১/৬০ = ২+৩-১/৬০=৪/৬০= ১/১৫ অংশ ১/১৫ অংশ পূর্ণ হয় ১ মিনিটে সম্পূর্ণ অংশ পূর্ণ হবে ১*১৫/১ মিনিটে= ১৫ মিনিটে গ) ২য় নল দ...

রক্ত ( Blood) ও হৃদযন্ত্র (Heart)

 রক্ত ( Blood) ও হৃদযন্ত্র (Heart) ১) রক্ত কি ? রক্ত  ( Blood): রক্ত একধরনের অস্বচ্ছ, অন্ত: কোষীয় লবণাক্ত এবং অনেকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। ২) একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের শরীরে কত লিটার রক্ত থাকে? উত্তর: ৫-৬ লিটার। ৩) রক্তের রং লাল কেন? উত্তর: রক্ত রসে লাল রংয়ের হিমোগ্লোবিন নাম লৌহ-ঘটিত প্রোটিনের কারনে রক্তের রং লাল। ৪)রক্তের প্রধান উপাদানগুলো কি কি? উত্তর: রক্তরস ( Plasma)  ও রক্তকণিকা। ৫)  রক্তে কত শতাংশ রক্তরস ও কত শতাংশ রক্ত কণিকা থাকে? উত্তর: রক্তে ৫৫ %  রক্তরস ও  ৪৫% রক্তকণিকা থাকে। ৬) প্লাজমা কাকে বলে ? উত্তর: রক্তের তরল অংশকে প্লাজমা বা রক্তরস বলে।  ৭) রক্তরসের মধ্যে পানির পরিমাণ কত ? উত্তর: রক্তরসের মধ্যে পানির পরিমাণ ৯০% এবং  বাকী ১০%  বিভিন্ন জৈব ও অজৈব পদার্থ। ৮)  রক্তরসের কাজ কি কি? ক) রক্তকণিকাসহ রক্তরসে দ্রবীভূত  খাদ্যসার দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত করা। খ) টিস্যু থেকে নির্গত বর্জ্য পদার্থ রেচনের জন্য বৃক্কে পরিবহন করা। গ) শ্বসনের ফলে নির্গত CO2 কে বাইকার্বনেট হিসেবে ফুসফুসে পরিবহন করা। ঘ) রক্তজমাট বাধার প্রয়োজনীয় উপাদ...

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক নাম ( Scientific Name)

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক নাম: ১। সজীব আলী হাওলাদার কর্তৃক ব্যাঙটির বৈজ্ঞানিক নাম: Zakerana                                  dhaka ( কাজী জাকির হোসেনকে  (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের                              প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা) উৎসর্গ করে  এ  নামকরণ)। ২ ।  রুই মাছ     :  Labeo rohita ৩ । পিয়াজ      :  Allium cepa ৪ ।  কুনোব্যাঙ   :   Bufo melanostictus , সম্প্রতি নামকরণ                                               হয়েছে   Duttaphrynus melanostictus ) ৫ । কেচোঁ        :   M etaphire posthuma ৬। তেলাপোকা:  Periplaneta americana ৭। চিংড়ি :       গলদা চিংড়ির বৈজ্ঞা...

বিষয় ভিত্তিক গণিত প্রস্তুতি অধ্যায়: নৌকা ও গতিবেগ

  অধ্যায়:  নৌকা ও গতিবেগ ১. একটি নৌকা মালামালসহ যে গতিতে চলে, খালি থাকলে তার দ্বিগুন গতিতে চলে। নৌকাটি মালামালসহ ৪০ কি.মি    অতিক্রম করে দুই ঘন্টা ব্যয় করে নৌকা থেকে মালামাল নামায় এবং খালি অবস্থায় পূর্বের স্থানে ফিরে আসে। সব মিলিয়ে ‍যদি ১৭ ঘন্টা সময় লেগে থাকে, তাহলে খালি অবস্থায় নৌকাটির বেগ কত কি.মি/ঘন্টা ছিল? সমাধান: মোট দূরত্ব= ৪০ কি.মি ধরি মালামালসহ নৌকার গতিবেগ = x কি.মি/ঘন্টা এবং খালি অবস্থায় নৌকার বেগ = ২ x কি.মি/ঘন্টা। যাতায়তে নৌকাটির প্রকৃত সময় লাগে=১৭-২=১৫ ঘন্টা। সময়=দূরত্ব/বেগ প্রশ্নমতে, 40/x   + 40/2x = 15 ð   ( 80 +40 )/ 2X = 15 ð   120/2X =15 ð   30x=120 ð   x=120/30 ð   x=4 সুতরাং মালামালসহ নৌকার গতিবেগ=৪ কি.মি/ঘন্টা খালি অবস্থায় নৌকার গতিবেগ = ২×৪=৮ কি.মি/ঘন্টা বিকল্প সমাধান: গতিবেগের অনুপাত (মালামালসহ:মালামালছাড়া)=১:২ সময়ের অনুপাত (মালামালসহ:মালামালছাড়া)=২:১ (মালামালসহ= ২×১৫/৩=১০ ঘন্টা: মালামালছাড়া=১×১৫/৩=৫ ঘন্টা) মালামালছাড়া নৌকার গতিবেগ= মোট দূরত্ব/সময়=৪০/৫=৮ কি.মি/ঘন্টা   ২. একটি নৌকা স্থির পানিতে ঘন্টায় ৬ কি....

অ্যামিবা ( Amoeba) এক অমর প্রাণীর উপ্যাখ্যান

Image
অ্যামিবা (Amoeba) অ্যামিবা (Amoeba) : প্রোটিস্টা (Protista) রাজ্যের সদস্য অ্যামিবা এককোষী প্রাণী।  এদের দেহ ক্ষুদ্রাকার। অনুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া এদের দেখা যায় না। এরা প্রয়োজনে দেহের আকার পরিবর্তন করে থাকে। এদের দেহ থেকে আঙ্গুলের মতো তৈরি অভিক্ষেপকে ক্ষণপদ (Pseudo-pods) বলে। ইংরেজি ভাষায় Pseudo অর্থ False বা মিথ্যা । তাই Pseudo-pods এর আরেকটি নাম বলা যায় মিথ্যা পা। আর বাংলা ক্ষণপদের অর্থ ক্ষণিক বা অল্প সময়ের জন্য তৈরী পা।   এর সাহায্যে অ্যামিবা খাদ্যগ্রহণ ও চলাচল করে। এদের দেহে পানিগহ্বর, খাদ্যগহ্বর ও সংকোচন গহ্বর থাকে। এদের সারাদেহ একটি পাতলা ও স্বচ্ছ পর্দা দ্বারা ঘেরা থাকে । একে প্লাজমালেমা বলা হয়। অ্যামিবা পানিতে, স্যাতস্যাতে মাটিতে, পুকুরের তলার পচা জৈব আবর্জনার মধ্যে জন্মে। চিত্র: অ্যামিবা ( Amoeba) অ্যামিবাকে কেন অমর প্রাণি বলা হয়? অ্যামিবা দ্বি-বিভাজন প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে। প্রথমে এদের দেহের নিউক্লিয়াস লম্বা হয়ে দুটি ভাগে ভাগ হয়ে যায় এর পর এদের দেহের সাইটোপ্লাজম দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য বা নতুন অ্যামিবার সৃষ্টি হয়। দেহের সমস্ত উপাদান দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে দুট...

বিবিধ বিষয়ে ভাইবা প্রস্তুতি

  সংক্রামক রোগ: বিভিন্ন  জীবানু যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ইত্যাদি শরীরে প্রবেশের ফলে সৃষ্ট রোগই হলো সংক্রামক রোগ। এ সকল রোগ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে একজন মানুষ থেকে আরেকজন মানুষের দেহে ছড়াতে পারে। সংক্রামক রোগের প্রকারভেদ :  বায়ুবাহিত রোগ: যে সকল রোগ হাঁচি-কাশি বা কথাবার্তা বলার সময় বায়ুতে জীবানু ছড়ানোর মাধ্যমে হয়ে থাকে তাদেরকে বায়ুবাহিত রোগ বলে। সোয়ান ফ্লু, করোনাভাইরাস, হাম, গুটিবসন্ত, যক্ষা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি বায়ুবাহিত রোগ। পানিবাহিত রোগ: পানিবাহিত রোগ হলো সে সকল রোগ যা জীবাণুযুক্ত দূষিত পানির মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে। অনেক ধরনের পানিবাহিত রোগ রয়েছে। যেমন-- ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয় ও টাইফয়েড। ছোঁয়াচে রোগ:  রোগাক্রান্ত ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংস্পর্শে যে সকল রোগ সংক্রমণ হয় তাই ছোঁয়াচে রোগ। যেমন, ফ্লূ, ইবোলা, হাম, করোনা ভাইরাস ইত্যাদি। প্রাণি ও পোকামাকড়বাহিত সংক্রামন রোগ বিভিন্ন প্রাণী এবং পোকামাকড়ের মাধ্যমে কিছু জীবাণুবাহিত রোগ ছড়ায়। যেমন, কুকুরের কামড়ের মাধ্যমে জলাতঙ্ক রোগ ছড়ায়। মশার কামড়ের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গু রোগ ছড়ায়।

ইংরেজী পারিভাষিক শব্দ

  কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাণিবিদ্যা বিষয়ক শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ ১) রক্তরস ( Plasma) ২) রক্ত কণিকা ( Blood corpuscles) ৩) ধমনী ( Artery) ৪) শিরা ( Vein) ৫) অলিন্দ ( Atrium) ৬) নিলয় ( Ventricle) ৭) সিস্ট ( Cyst)

কারক

 কারক ও বিভক্তি নির্ণয় ১) সারারাত বৃষ্টি হয়েছে। = অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তি।( সারারাত সময় নির্দেশ করে) ২) এ কলমে ভাল লেখা যায়। = করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি ( কলম দিয়ে লেখা হয়) ৩) যেখানে বাঘের ভয় সেখানে রাত হয়। = অপাদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি। ( ভয় থাকলে অপাদান কারক হয়) ৪) ভিখারীকে ভিক্ষা দাও।= সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি ( নিঃস্বার্থভাবে দান) 

পর্ব-৩: অনুজীব ভাইবা প্রস্তুতি ( প্রাণিবিদ্যা)

জীবজগতের ৫ টি রাজ্যের মধ্যে মনেরা, প্রোটিস্টা ও ফানজাই এই ৩টি রাজ্য মিলে অনুজীবজগৎ। নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর ভিত্তি করে অনুজীবগতকে তিনটি ভাগে ভাগ করেছেন। যথা- ১। এক্যারিওটা     ২। প্রোক্যারিওটা    ৩। ইউক্যারিওটা এক্যারিওটা বা অকোষীয়: এসব অনুজীব এতই ছোট যে তা সাধারণ আলোক অনুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচেও দেখা যায় না। এদের  দেখতে ইলেকট্রন অনুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়, যেমন- ভাইরাস। প্রোক্যারিওটা বা আদিকোষী: যেসব অনুজীবদের কোষের কেন্দ্রিকা সুগঠিত নয় তারাই এ রাজ্যের সদস্য। সুগঠিত নিউক্লিয়াস না থাকায় এদের কোষকে আদিকোষ বলা হয়।যথা: ব্যাকটেরিয়া্। ইউক্যারিওটা বা প্রকৃতকোষী : যেসব অনুজীব কোষের কেন্দ্রিকা সুগঠিত তাদেরই প্রকৃত কোষ বলে।শৈবাল, ছত্রাক ও প্রোটোজোয়া এ ধরনের অনুজীব। ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস:  ইলেকট্রন অনুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া ভাইরাসদেরকে দেখা যায় না । এরা সরলতম জীব। ভাইরাসের দেহে কোষপ্রাচীর, প্লাজমালেমা, সুগঠিত নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম ইত্যাদি কিছেই নেই। তাই ভাইরাসের দেহকে অকোষীয় বলা হয়।  এরা শুধুমাত্র প্রোটিন আবরণ ও নিউক্লিক এসিড ( ডিএনএ বা আরএনএ) নিয়ে গঠি...

ভাইবা প্রস্তুতি ( উদ্ভিদবিদ্যা) পর্ব-১

 বিটপ: উদ্ভিদের যে অংশগুলো মাটির উপরে থাকে তাদের একত্রে বিটপ বলে। পর্ব: কান্ডের যে স্থান থেকে পাতা বের হয় তাকে পর্ব বলে। পর্ব মধ্য: পাশাপাশি দুটি পর্বের মধ্যবর্তী অংশটি পর্বমধ্য।

পর্ব-২: বিষয় কোষ ও টিস্যু ভাইবা প্রস্তুতি ( প্রাণিবিদ্যা)

কোষ কী? জীবদেহের গঠন ও কাজের একককে কোষ বলে। জীবকোষর প্রকারভেদ:  নিউক্লিয়াসের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির ভিত্তিতে কোষকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-  আদি কোষ ও প্রকৃত কোষ। আদি কোষের নিউক্লিয়াস কোন আবরণী দ্বারা আবদ্ধ নয়। যেমন- ব্যাকটেরিয়া। প্রকৃত কোষের নিউক্লিয়াসে আবরণ থাকে।  প্রকৃত কোষকে তাদের কাজের ভিত্তিতে দু‘ভাগে ভাগ করা হয় । যথা- দেহকোষ ও জননকোষ। দেহকোষ দেহের গঠন ও বৃদ্ধিতে অংশগ্রহণ করে। এসব কোষ বিভাজনের কারণে জীবদেহ বৃদ্ধি পায়। জননকোষের কাজ হলো জীবের প্রজননে অংশ নেওয়া। জীবদেহে বিভিন্ন আকার আকৃতির কোষ দেখা যায়, যেমন- গোলাকার, ডিম্বাকার, আয়তাকার ইত্যাদি। সাধারণত কোষ এতই ক্ষুদ্র যে খালি চোখে দেখা যায় না। প্রোটোপ্লাজম: কোষপ্রাচীরের অভ্যন্তরে পাতলা পর্দাবেষ্টিত জেলীর ন্যায় থকথকে আধা তরল বস্তুটিকে প্রোটেপ্লাজম বলে। এক জীবনের ভিত্তি বলা হয়। এর তিনটি অংশ যথা- কোষ ঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস। কোষঝিল্লি বা সেল মেমব্রেন বা প্লাজমা মেমব্রেন: সম্পূর্ণ প্রোটোপ্লাজমকে ঘিরে যে নরম পর্দা দেখা যায় তাকে প্লাজমামেবব্রেন  বলে। এটি কোষের ভেতর ও বাইরের মধ্যে খনিজ পদার্থ ও গ্...

পর্ব-১ ভাইবা প্রস্তুতি বিষয়: জীবজগতের শ্রেণীবিন্যাস ( প্রাণিবিদ্যা)

জীবজগতের শ্রেণীবিন্যাস জীব বিজ্ঞানীগণ বিভিন্ন সময় জীবকে শ্রেণীবদ্ধকরণের চেষ্টা করেছেন। সর্বাধুনিক পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেন ১৯৭৮ সালে বিজ্ঞানী মারগিউলিস (Margulis) ও হুইটেকার ( Whittaker) । তিনি সমস্ত জীবজগতে দুটি সুপার কিংডমের আওতাভুক্ত করেন। এ দুটি সুপার কিংডমের আওতায় জীবজগৎকে মোট ৫ টি রাজ্যে ভাগ করা হয়েছে। সুপার কিংডম- ১:  প্রোক্যারিওটা ( Prokaryotae ) :  এরা আদিকোষ ( নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয়) বিশিষ্ট এককোষী, আণুবীক্ষণিক জীব। সুপার কিংডম- ২: ইউক্যারিওটা ( Eukaryotae) :  এরা প্রকৃতকোষ ( নিউক্লিয়াস সুগঠিত ) বিশিষ্ট এককোষী বা বহুকোষী জীব। এরা এককভাবে বা কোলনি আকারে দলবদ্ধভাবে বসবাস করে।  আর রাজ্য গুলো হলো ১। মনেরা ২। প্রোটিস্টা   ৩। ফানজাই  ৪। প্লান্টি  ৫। এনিমেলিয়া রাজ্য-১: মনেরা: এ রাজ্যের অধীনে জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:  ক) জীবটি এককোষী এবং এর কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না।কোষে ক্রমাটিন বস্তু থাকে কিন্তু নিউক্লিওলাস ও  নিউক্লিয়ার পর্দা নেই। খ) এরা খুবই ক্ষুদ্র এবং অনুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া এদের দেখা যায় না। এদের কোষে প্লাস্টিড, মাইটোকন্ড্রিয়া, ...

গণিত প্রস্তুতি (বিবিধ)

  গণিত প্রস্তুতি (বিবিধ) ১. একটি নৌকা মালামালসহ যে গতিতে চলে, খালি থাকলে তার দ্বিগুন গতিতে চলে। নৌকাটি মালামালসহ ৪০ কি.মি    অতিক্রম করে দুই ঘন্টা ব্যয় করে নৌকা থেকে মালামাল নামায় এবং খালি অবস্থায় পূর্বের স্থানে ফিরে আসে। সব মিলিয়ে ‍যদি ১৭ ঘন্টা সময় লেগে থাকে, তাহলে খালি অবস্থায় নৌকাটির বেগ কত কি.মি/ঘন্টা ছিল? সমাধান: মোট দূরত্ব= ৪০ কি.মি ধরি মালামালসহ নৌকার গতিবেগ = x কি.মি/ঘন্টা এবং খালি অবস্থায় নৌকার বেগ = ২ x কি.মি/ঘন্টা। যাতায়তে নৌকাটির প্রকৃত সময় লাগে=১৭-২=১৫ ঘন্টা। সময়=দূরত্ব/বেগ প্রশ্নমতে, 40/x   + 40/2x = 15 ð   ( 80 +40 )/  2X = 15 ð   120/2X =15 ð   30x=120 ð   x=120/30 ð   x=4 সুতরাং মালামালসহ নৌকার গতিবেগ=৪ কি.মি/ঘন্টা খালি অবস্থায় নৌকার গতিবেগ = ২×৪=৮ কি.মি/ঘন্টা বিকল্প সমাধান: গতিবেগের অনুপাত (মালামালসহ:মালামালছাড়া)=১:২ সময়ের অনুপাত (মালামালসহ:মালামালছাড়া)=২:১ (মালামালসহ= ২×১৫/৩=১০ ঘন্টা: মালামালছাড়া=১×১৫/৩=৫ ঘন্টা) মালামালছাড়া নৌকার গতিবেগ= মোট দূরত্ব/সময়=৪০/৫=৮ কি.মি/ঘন্টা       2. চারটি ধারাবাহি...