Posts

Showing posts from November, 2022

অধ্যায়: জীবকোষ ও টিস্যু

 অধ্যায়:  জীবকোষ ও টিস্যু জীবকোষ বা কোষ: জীবদেহের গঠন ও কাজের একককে কোষ বলে। লোয়ি ( Loewy)  এবং সিকেভিজ (Siekevitz) 1969 সালে বৈষম্য ভেদ্য (selectively permeable) পর্দা দিয়ে আবৃত   এবং জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক যা অন্য সজীব মাধ্যম ছাড়াই নিজের প্রতিরুপ তৈরি করতে পারে, এমন সত্তাকে কোষ বলে। কোষের প্রকারভেদ :  নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের। আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ । (a)  আদিকোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ (Prokaryotic cell) : এ ধরনের কোষে কোন সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। এজন্য এদের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষও বলা হয়। এসব কোষের নিউক্লিয়াস কোন পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না, তাই নিউক্লিও-বস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে। এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে। ক্রোমোজোমে কেবল DNA  থাকে। নীলাভ সবুজ শৈবাল বা ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের কোষ পাওয়া যায়। (b) প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ ( Eukaryotic cell) : এসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (nuclear membrane) দিয়ে নিউক্লিও-বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসং...

প্রাণিবিদ্যা

  প্রাণিবিদ্যা সূচিপত্র অধ্যায় : জীবের শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায় :   জীবকোষ ও টিস্যু

অধ্যায় : জীবের শ্রেণীবিন্যাস

 জীবের শ্রেণীবিন্যাস আজ পর্যন্ত বিভিন্ন উদ্ভিদের প্রায় চার লক্ষ  এবং প্রাণীর প্রায় তের লক্ষ প্রজাতির নামকরণ ও বর্ণনা করা হয়েছে। জানা বোঝাে   এবং শেখার সুবিধার জন্য এই অসংখ্য জীবকে সুষ্ঠভাবে বিন্যাস করা বা সাজানোর  প্রয়োজন। জীবজগতকে একটি স্বাভাবিক নিয়মে শ্রেণিবিন্যাস করার প্রয়োজনীয়তা অবশ্য অনেক আগে থেকেই প্রকৃতিবিদগণ অনুভব করেছিলেন। সেই প্রয়োজনের তাগিদেই জীববিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে, যার নাম ট্যাক্সোনমি বা শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা। শ্রেণীবিন্যাসের মূল লক্ষ্য একটাই। তা হচ্ছে এই বিশাল এবং বৈচিত্র্যময় জীবজগৎকে সহজভাবে অল্প পরিশ্রমে এবং অল্প সময়ে সঠিকভাবে জানা। শ্রেণিবিন্যাসের উদ্দেশ্য *প্রতিটি জীবের দল ও উপদল সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণ করা। * জীবজগতের ভিন্নতার দিকে আলোকপাত করে আহরিত জ্ঞানকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা । *পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা এবং প্রতিটি জীবকে শনাক্ত করে তার নামকরণের ব্যবস্থা করা।  *সর্বোপরি জীবজগৎ  এবং মানবকল্যাণে প্রয়োজনীয় জীবগুলোকে শনাক্ত করে তাদের সংরক্ষণে সচেতন হওয়া। সুইডিস প্রকৃতিবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৩৫ সালে আপসা...