Posts

Showing posts from May, 2024

বিশ্ব অর্থব্যবস্থা

Image
বিশ্ব অর্থব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের হাতের মুঠোয় প্রতিটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার রিজার্ভ রাখে। এ রিজার্ভ ‍মুদ্রা দিয়ে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করে। যে দেশের রিজার্ভ যত বেশি সেই দেশের আমদানি ক্ষমতা তত বেশি। আর যে দেশের আমদানি ক্ষমতা যত বেশি সেই দেশকে অর্থনৈতিকভাবে তত  স্থিতিশীল ধরা হয়। বড় বড় ব‌্যবসায়ীরা তাদের আর্থিক লেনদেন  দেশজ ব‌্যাংকগুলোর মাধ‌্যমে করে থাকে। আন্তর্জাতিক বাণিজ‌্যের জন‌্য একটি দেশ আরেকটি দেশকে কিভাবে মূল‌্য পরিশোধ করবে তা একটি বড় সমস‌্যা। কারণ একেক দেশের মুদ্রা একেক ধরনের । কারও মুদ্রার নাম দিনার আবার কারও মুদ্রার নাম রুপি। এসব দেশের মুদ্রার দামেরও পার্থক‌্য আছে। একই পরিমাণ টাকা দিয়ে একেক দেশে বিভিন্ন রকম পন‌্য কেনা যায়। অর্থাৎ মুদ্রাগুলোর মানের তারতম‌্য আছে। বিশ্বের এক দেশের সাথে আরেক দেশের আর্থিক লেনদেন সম্পাদনের জন‌্য যুক্তরাষ্ট্র সুইফট নামক আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা  চালু করেছে । এই অর্থনৈতিক লেনদেন  ব‌্যবস্থায় বিশ্বের প্রায় বেশিরভাগ দেশ অংশ নেয়ায় এবং এর প্রতিদন্দ্বী আর কোন অর্থনৈতিক ব‌্যবস্থা না থাকায় এর মাধ‌্যমে যুক্তরাষ্ট‌্র সারা পৃথিবীর ...

বিজ্ঞান একাডেমি

Image
  ফলিত বিজ্ঞান ভিত্তিক সমাজ তথা রাষ্ট্র গঠন অপরিহার্য দেশের বিজ্ঞান শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এবং একেবারে স্থানীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষাকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য দেশে একটি একক প্রতিষ্ঠান দরকার। এ প্রতিষ্ঠানটি হবে প্রয়োগ ভিত্তিক , বিজ্ঞান ভিত্তিক দেশ গঠনের নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। যার মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থী এখান থেকে বিজ্ঞান শেখার সুযোগ পাবে অফলাইন এবং অনলাইনে। এদেশে মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি হচ্ছে। তারা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে কাজ করছে। কেউবা বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে উচ্চশিক্ষার জন্য, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য। যারা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যাচ্ছে তাদের সাথে যোগাযোগ এবং তাদের মেধাকে এদেশে কাজে লাগানোর জন্য কোন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয় নি। দেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে টুকটাক গবেষণা হচ্ছে কেউবা ইংরেজি ভাষায় সেসব গবেষণা প্রকাশ করে নাম কামাচ্ছে। এক্ষেত্রে গবেষণা করে ব্যক্তি লাভবান হলেও দেশ লাভবান হচ্ছে না। মেধা পাচার হচ্ছে , ভাল চাকুরী করছে কিন্তু দেশের অর্জন শূন্য। এভাবে আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা চাকুরীজীবি তৈরি করছে কিন্তু কোন উদ্যোক্তা তৈরি করছে না। এছাড়া গবেষণা সম্পর্কে বাংলাতে কোথ...

বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস বেকন

Image
স্যার ফ্রান্সিস বেকন   ( Francis Bacon) ( ২২শে জানুয়ারি ,   ১৫৬১   -   ৯ই এপ্রিল ,   ১৬২৬ ): একাধারে একজন   ইংরেজ   দার্শনিক , আইনজ্ঞ, কূটনৈতিক এবং বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার পথপ্রদর্শক। আইনজীবী হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করলেও তিনি   বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের   প্রবক্তা এবং জ্ঞানান্ধতা ও গোঁড়ামি বিরোধী হিসেবে সুখ্যাত হন। ফ্রান্সিস বেকনকে অভিজ্ঞতাবাদের জনক বলা হয়। তিনি দর্শনিক চিন্তাধারার কিছু মৌলিক তত্ব প্রবর্তন করেন যেগুলোকে বেকনিয়ান মেথডও বলা হয়ে থাকে। কোন জিনিসের উৎস অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অনুসন্ধানের প্রক্রিয়াগুলো তিনিই প্রবর্তন করেন। এইসব প্রক্রিয়াকে সংক্ষেপে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া বলা হয়। তিনি তার পূর্বের আবিষ্কারগুলোকে সন্নিবেশিত করে বই রচনা করেন।

একটি নতুন অর্থব‌্যবস্থা

Image
  একটি নতুন অর্থব‌্যবস্থা : বাংলাদেশ   ব্যাংক দেশের জনগণের চাহিদা মোতাবেক টাকা ছাপিয়ে সরকারি এবং বেসরকারি ব্যাংক গুলোকে ঋণ দেয়। ঋন দেয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট সুদের হারে ঋন প্রদান করে ।  যেমন, ধরুন ৫% -১০%  হারে বাংলাদেশ ব্যাংক ‌‌‌‌‌ঋন দেয়। ব্যাংক গুলো এই ঋণ কখনো শোধ করতে পারবে না কারণ যে পরিমাণ টাকা বাজারে ছাড়া হয় তার চেয়ে বেশি টাকা সুদে আসলে ফেরত দেয়া সম্ভব নয়। তাই এই ব্যাংকগুলো প্রতিবছর আরও ঋন নিয়ে সেই টাকা পরিশোধ করে। এভাবেই ঋণের মাধ্যমে চলেছে অর্থনীতি। ঋণ পরিশোধের জন্য আরও বেশি টাকা ছাপিয়ে ঋণ দেয়া । আর এভাবেই সুদের দুষ্টচক্রে সবাই বাধা পড়ে আছি। যদি বাংলাদেশ ব্যাংক স্বর্নের দামের সাথে টাকাকে ফিক্সট করে দেয় যেমন ১ ভরি স্বর্ণ সমান ১ লক্ষ টাকা। ১ ভরি স্বর্ণের দাম যাই হোক না কেন ব্যাংক গুলোকে   ১ ভরি স্বর্ণের বিনিময়ে ১ লক্ষ টাকা প্রদান করা হবে। আবার ব্যাংক ১ লক্ষ টাকা দিলে ১ ভরি স্বর্ণ তাদেরকে দিবে। এর ফলে ব্যাংক গুলো তাদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা পাবে। আর বাংলাদেশ ব্যাংক স্বর্ণ পাবে যা রিজার্ভ হিসেবে থাকবে । প্রয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংক স্বর্ণ বিক্রির মাধ্যমে ডলার সংগ্...